ভৈরব-আশুগঞ্জ-লালপুর যুদ্ধ

গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান, বীর বিক্রম

২৩ মে ১৯৭১। গোলাম হেলাল মোর্শেদ খানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকা থেকে মাধবপুরের দিকে রওনা হন একদল মুক্তিযোদ্ধা। বেলা দুইটার দিকে তাঁরা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছান। কিন্তু সেদিন পাকিস্তানি সেনারা আসেনি। গোলাম ...

গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান, বীর বিক্রম

আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম, বীর বিক্রম

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে ১৩-১৪ এপ্রিল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম (এ এস এম নাসিম) তাঁর সহযোদ্ধাদের নিয়ে আশুগঞ্জে (রিয়ার) প্রতিরক্ষা অবস্থানে ছিলেন। তখন পর্যন্ত আশুগঞ্জ মুক্ত ছিল। দখলের জন্য পাকিস্তানি ...

আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম, বীর বিক্রম

আবদুল করিম, বীর বিক্রম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে পশ্চিম দিকে ২০ কিলোমিটার দূরে আশুগঞ্জ। মেঘনা নদীর তীরে। নদীর অপর তীরে ভৈরব বাজার। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় আক্রমণ করেন সেখানে। ...

আবদুল করিম, বীর বিক্রম

মো. মতিউর রহমান, বীর প্রতীক

মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাঁচদোনায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মো. মতিউর রহমান। ...

মো. মতিউর রহমান, বীর প্রতীক

মনির আহমেদ, বীর প্রতীক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিলেটের দিকে ১৮ মাইল গেলেই মাধবপুর। ২৮ এপ্রিল সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সেখানে সংঘটিত হয় সর্বাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মনির আহমেদ মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ছোট দলের নেতৃত্ব দেন।

মনির আহমেদ, বীর প্রতীক
বিজ্ঞাপন