আবুল হোসেন ১৯৭১ সালে যশোর ইপিআর সেক্টরের অধীন যাদবপুর ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। ২৭ মার্চ সকালে তাঁদের ক্যাম্পে সহকারী উইং কমান্ডার অবাঙালি ক্যাপ্টেন সাদেক পরিদর্শনে আসেন। এ সময় আবুল হোসেন কৌশলে ...
সকাল হতেই শুরু হলো ব্যাপক গোলাবর্ষণ। প্রতিরোধযোদ্ধাদের কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ট্যাংক তাঁদের ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করল। একই সঙ্গে তাদের কামান থেকেও গোলাবর্ষণ চলল। পাকিস্তানি সেনাদের ...
আলী আকবর মিজি প্রথমে রৌমারী, পরে দেওয়ানগঞ্জ ও বাহাদুরাবাদ এবং শেষে সিলেটে যুদ্ধ করেন। সিলেটের ছাতকের দক্ষিণে তাঁরা এক দিন টানা তিন ঘণ্টা যুদ্ধ করেন। যুদ্ধে সাতজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। একপর্যায়ে ...
রংপুর-সৈয়দপুর-দিনাজপুর সড়কের দশমাইল এলাকা। ১৯৭১ সাল। এপ্রিলের মাঝামাঝি। এখানে অবস্থান নিয়েছেন একদল প্রতিরোধযোদ্ধা। তাঁদের এই দলে আছেন ইপিআর, ছাত্র ও যুবক। ইপিআর সদস্য আবদুল হালিমও আছেন এই দলে। তিনি ...
আবুল কালাম ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন দিনাজপুর ইপিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে। কুঠিবাড়িতে ছিল তাঁদের হেডকোয়ার্টার। ২৬ মার্চ খুব ভোরে তাঁরা ঢাকার খবর পেয়ে যান। সে সময় সেক্টর হেডকোয়ার্টারে বাঙালি কোনো ...
রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ছোট এক ক্যাম্পে অতর্কিতে আক্রমণ চালালেন আবুল হাসেমসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা। প্রচণ্ড আক্রমণে একসময় পাকিস্তানি সেনারা অনেক গোলাবারুদ ও বেশ কিছু অস্ত্র ফেলে রাতের ...
আবদুল মালেক চাকরি করতেন ইপিআরে। ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন যশোর ইপিআর সেক্টরে। তখন তাঁর পদবি ছিল নায়েব সুবেদার। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধে যোগ দেন। যশোরে প্রতিরোধযুদ্ধ শেষে ভারতে আশ্রয় নেন।
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল। আবদুল জলিল শিকদার খবর পেলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বড় একটি দল সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে রাস্তার দুই পাশের বাড়িঘর জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে তাঁদের প্রতিরক্ষা অবস্থানের দিকে আসছে। তিনি একদল ...
যশোর জেলা সদরের পশ্চিমে ঝিকরগাছা উপজেলা। ১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষ দিক। সন্ধ্যা। চারদিকে হালকা কুয়াশা। খালি চোখে দূরের কিছুই দেখা যায় না। অতি সন্তর্পণে মুক্তিবাহিনীর একটি দল এগিয়ে যাচ্ছে। দলে ...
আবদুল জব্বার মিজি ইপিআরে চাকরি করতেন। ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন রাজশাহী সেক্টর হেডকোয়ার্টারের অধীনে নওগাঁ উইংয়ে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি এতে যোগ দেন। জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি ...