default-image

স্যাম মানেকশ সম্পর্কে যে গল্পটি সবচেয়ে প্রচলিত তা তিনি নিজেই বলেছিলেন। ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের শরণার্থীরা যখন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকছিল, তখন স্যাম ছিলেন সেনাপ্রধান, ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী ও বাবু জগজীবন রাম প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সে বছর ২৭ এপ্রিল মন্ত্রিসভার এক বৈঠক হয়। চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে স্যামকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীকে সেদিন বিক্ষিপ্ত ও রাগান্বিত মনে হচ্ছিল। বৈঠকে ইন্দিরা গান্ধী পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের এক মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো টেলিগ্রামের কপি নাড়িয়ে নাড়িয়ে স্যামকে উদ্দেশ করে বললেন, ‘আপনি কি কিছু করতে পারেন না?’

স্যাম জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনি আমাকে কী করতে বলছেন?’

‘আপনি পূর্ব পাকিস্তানে যান।’

‘এর মানে কিন্তু যুদ্ধ।’

‘সেটা আমরা জানি। যুদ্ধে যেতে আমার আপত্তি নেই।’

স্যাম এবার জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি কি বাইবেল পড়েছেন?’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরণ সিং তখন বললেন, ‘এর সঙ্গে বাইবেলের সম্পর্ক কী?’

‘বাইবেলে লেখা আছে, ঈশ্বর বলেছেন, আলো হোক, ওমনি সব আলোকিত হয়ে গেল। যুদ্ধ হোক, বললেই কি আপনারা মনে করছেন, যুদ্ধ করা যায়? আপনি কি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত? আমি নই।’

এ কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী খুব একটা খুশি হলেন না। তাঁর চোখে-মুখে তখনো রাগ।

বিজ্ঞাপন

স্যাম ব্যাখ্যা করলেন, কেন এই মুহূর্তে তিনি যুদ্ধে যেতে চান না। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ব বাংলায় বর্ষার মৌসুম শুরু হবে। সেখানে বহু নদী পানিতে ভেসে যাবে। তখন ওখানে যুদ্ধ করা কঠিন। সে সময় ওখানে শুধু রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু রাস্তায় অবরোধ দেওয়া হতে পারে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানসেনারাও স্থলসেনাদের সাহায্য করতে পারবে না। তা ছাড়া আর্মার্ড ডিভিশন তখন ঝাঁসিতে, আর পদাতিক বাহিনীগুলোর একটি সেকেন্দারাবাদে। তাদের পূর্ব দিকে নিয়ে যেতে সময় লাগবে, সঙ্গে লাগবে রাস্তা ও রেললাইন। তখন গমের চাষ চলছে। সৈন্যদের স্থানান্তর করালে খাদ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। খাদ্যমন্ত্রী ফখরুদ্দীন আলী আহমেদের দিকে তাকিয়ে স্যাম বললেন, ‘দেশে দুর্ভিক্ষ হলে মানুষ কিন্তু আপনাকে দোষারোপ করবে, আমাকে নয়।’

স্যাম শীতকাল পর্যন্ত অভিযান স্থগিত রাখার পরামর্শ দিলেন। বললেন, এই সময়ের মধ্যে তিনি বড় ধরনের অভিযান চালানোর অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারবেন। সরকারও কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের যথেষ্ট সময় পাবে, যাতে অন্য দেশ পাকিস্তানকে সহায়তা না করে। শীতের সময় উত্তরের গিরিপথগুলো বরফে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে চীনাদের হস্তক্ষেপ করার হুমকি দূর হবে। অধিকাংশ মন্ত্রীই স্যামের কথায় যুক্তি খুঁজে পেলেন। তাঁরা সম্মতিসূচক মাথা নাড়ছিলেন। তবে ইন্দিরা গান্ধীকে কিছুটা অখুশি মনে হচ্ছিল।

স্যাম প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ করে বললেন, ‘আপনার সেনাপ্রধান হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে, আপনার সামনে বাস্তব পরিস্থিতিটা তুলে ধরা। আপনি যদি তারপরও চান, আমি যুদ্ধ শুরু করি, আমি সেটা করব। কিন্তু আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি, সে যুদ্ধে আমরা হারব। এখন বলুন, আমাকে কী করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী কিছু বললেন না। দৃশ্যত তাঁকে রাগান্বিত মনে হচ্ছিল। তিনি সবাইকে বললেন, বিকেল চারটায় বৈঠক আবার শুরু হবে। সবাই চলে যেতে উদ্যত হলে তিনি স্যামকে থেকে যেতে বললেন। যখন শুধু তাঁরা দুজন, স্যাম তখন পদত্যাগ করার প্রস্তাব দিলেন, মানসিক বা শারীরিক কারণে।

প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘স্যাম, বসুন। আমি আপনার পদত্যাগ চাই না। আমাকে শুধু এ কথা বলুন, আপনি এতক্ষণ যা বললেন তা সত্য।’

স্যাম জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, আমার কাজ যুদ্ধ করা—জেতার জন্য যুদ্ধ করা। আপনি যদি আজ যুদ্ধে যান, তাহলে হারবেন। আমাকে আরও ছয় মাস সময় দিন, আমি আপনাকে জয়ের শতভাগ নিশ্চয়তা দেব। তবে একটা ব্যাপার আমি স্পষ্ট করতে চাই। একাধিক কমান্ডার থাকা চলবে না, কমান্ডার হবেন একজনই। বিএসএফ বা সিআরপিএফের অধীনে কাজ করতে আমার সমস্যা নেই কিংবা আপনি যাকে কমান্ডার বানাবেন, তাঁর অধীনেই আমি কাজ করব। কিন্তু আমি চাই না, সোভিয়েতরা আমাকে বলুক কী করতে হবে। আমার রাজনৈতিক কর্তা একজনই থাকবেন, যিনি আমাকে নির্দেশনা দেবেন। আমি চাই না, প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাকে বলুক, কী করতে হবে। এখন আপনি ঠিক করুন, কী করবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘ঠিক আছে। কেউই হস্তক্ষেপ করবেন না। আপনিই কমান্ড করবেন।’

বিজ্ঞাপন
default-image

স্যাম বললেন, ‘ধন্যবাদ, আমি আপনাকে বিজয়ের নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ পরবর্তীকালে স্যাম স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, ফিল্ড মার্শাল হওয়া ও বরখাস্ত হওয়ার মধ্যে তেমন একটা দূরত্ব ছিল না।

ভারত সরকার পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হলো। মুক্তিবাহিনী ১৯৭১ সালের মধ্যভাগ থেকে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে নাজেহাল করে তোলে।

কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ইন্দিরা সরকার ভারতের অবস্থানের যৌক্তিকতা প্রমাণ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা শুরু করে। তিনি বেশ কিছু দেশ সফর করেন। তবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া আর কোনো বড় শক্তি ভারতের অবস্থান সমর্থন করেনি। বস্তুত কেউ কেউ ভারতের অবস্থানের সমালোচনা করে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানায়। ইন্দিরা গান্ধী চীন ও পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে ডি পি ধরকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পাঠান। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, তাদের মত বোঝা ও সমর্থন পাওয়া। তারা ভারতের ডাকে সাড়া দেয়। ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট সম্পাদিত হয় ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি। এটি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের হুমকি অকার্যকর করে দেওয়া গেল। নিজের করণীয় নির্ধারণে ভারত যথেষ্ট স্বাধীনতা পেয়ে গেল।

পূর্ব বাংলায় অভিযান চালানোর লক্ষ্যে স্যাম বহুমুখী আক্রমণ পরিচালনার কৌশল নিয়েছিলেন। শত্রুপক্ষের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো এড়িয়ে যাওয়া হবে, স্বল্পতম সময়ে যতটা বেশি সম্ভব ভূমি দখল করা হবে। এটা জরুরি ছিল। কারণ এমন সম্ভাবনা ছিল যে কয়েক দিনের মধ্যে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি হতে পারে। তাই বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা করার মতো বড় ভূখণ্ড দখল করার একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ঢাকা দখল বা পুরো পূর্ব পাকিস্তানের পতনের কথা তখন চিন্তাও করা হয়নি, পরিকল্পনা তো নয়ই।

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। যুদ্ধ শুরু হয় পাকিস্তানি বিমানবাহিনী পশ্চিম রণাঙ্গনে বোমাবর্ষণ করলে। ইন্দিরা গান্ধী তখন কলকাতায়। স্যাম মানেকশ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জে এফ আর জ্যাকবকে ফোন করে বলেন, তিনি যেন ইন্দিরা গান্ধীকে জানান, যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। স্যাম তাঁকে এ-ও জানাতে বলেন যে তিনি পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডকে তাৎক্ষণিকভবে যুদ্ধ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৈশিষ্ট্যময়ভাবে, স্যাম প্রধানমন্ত্রীকে ‘অবহিত’ করেন, তাঁর কাছ থেকে ‘অনুমতি’ চাননি। জ্যাকব সেনা কমান্ডারকে বিষয়টি জানান, যিনি সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানাতে চলে যান। তিনি তখন গভর্নরের সঙ্গে রাজভবনে ছিলেন। নৌ ও বিমানবাহিনীকেও খবরটি দেওয়া হয়। পরদিনই শুরু হয়ে যায় পূর্ণাঙ্গ অভিযান।

অভিযান যতই সামনে বাড়ে, পাকিস্তানি বাহিনীর প্রতিরোধ ততই ভেঙে পড়ে। ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের সব শক্ত ঘাঁটি এড়িয়ে যায়। পাকিস্তানি বাহিনী বিচ্ছিন্ন হয়ে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। জায়গায় জায়গায় তারা আত্মসমর্পণ করতে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘকে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার চেষ্টা করছিল। সোভিয়েত ভেটোতে তা ভেস্তে যায়। এই যুদ্ধের একটি কৌতূহলোদ্দীপক বৈশিষ্ট্য হলো, স্যাম তিনটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। প্রথম বার্তায় তিনি পাকিস্তানি বাহিনীকে সম্মানজনক আচরণের আশ্বাস দিয়ে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। বার্তাটি রেডিওতে সম্প্রচারিত হয়, যার লিখিত রূপ লিফলেট আকারে আকাশ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাতে পাকিস্তান বাহিনীর জওয়ান ও কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করা হয়, তাঁরা যেন বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই অস্ত্র সমর্পণ করে।

এই বার্তা পাকিস্তানি সেনাদের মনোবল ভেঙে দেয়। তারা নিশ্চিত হয়ে যায়, প্রতিরোধ করে কাজ হবে না। ধারণা করা হয়, এই বার্তার কারণে যুদ্ধ দুই সপ্তাহ আগে শেষ হয়।

১১ ডিসেম্বর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী জাতিসংঘের কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন করে বার্তা পাঠান। এমনকি নিরাপত্তা পরিষদ বার্তাটি নিয়ে আলোচনা যখন শুরু করতে যাচ্ছিল, তখন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আরেকটি বার্তা পাঠিয়ে ফরমান আলীর বার্তা নাকচ করে দেন। তাঁর বার্তায় বলা হয়, আগের বার্তাটি ‘অননুমোদিত ছিল’।

এরপরও যুদ্ধবিরতি নিয়ে নানা তৎপরতা চলেছে। কিন্তু আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়াজি নিয়েছিলেন। নিয়াজি স্যামকে উদ্দেশ করে একটি বার্তা লেখেন এবং জাতিসংঘের ঢাকাস্থ কানসাল জেনারেল হার্বার্ট স্পিভাককে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তা স্যামকে পাঠিয়ে দেন। ভারতে না পাঠিয়ে স্পিভাক বার্তাটি ওয়াশিংটনে পাঠিয়ে দেন, যেখান থেকে তা ভারতকে শোনানো হয়। নিয়াজির বার্তা পাওয়ার পর স্যাম জবাব দেন, পাকিস্তানি সেনারা ভারতীয় সেনাদের কাছে ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টার মধ্যে আত্মসমর্পণ করলেই শুধু যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে। কোনো বেতার তরঙ্গে অরোরার সদর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে, নিয়াজিকে তিনি সেটিও জানিয়ে দেন। বিশ্বস্ততার নজির হিসেবে স্যাম জানান, তিনি ঢাকায় বিমান হামলা বন্ধের নির্দেশ দিচ্ছেন। পরে নিয়াজি আত্মসমর্পণের সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ৩টায় পিছিয়ে দিতে অনুরোধ করেন। যেটা স্যাম মেনে নেন। ১৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে নিয়াজি তাঁর সব ফরমেশন কমান্ডারকে নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কমান্ডারদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা করেন। যুদ্ধ শেষ। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় সেনারা পূর্ব পাকিস্তানে যাওয়ার আগে স্যাম নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন, ভারতীয়রা যেন প্রথাগত বিজয়ী সেনাদের মতো লুটপাট ও ধর্ষণ না করে। তিনি কঠোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, কেউ লুটপাটের অভিযোগে ধরা পড়লে তাঁকে কোর্ট মার্শাল করা হবে। সেনারা অভিযানে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি এক বার্তায় বলেন, ‘কোনো নারীকে দেখলে আপনারা হাত পকেটে রাখবেন ও স্যামের কথা ভাববেন।’ ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে খুবই কম লুটপাট ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।

যুদ্ধবন্দীরা ভারতে এলে প্রথম ভারতীয় কর্মকর্তা হিসেবে স্যাম তাদের সঙ্গে দেখা করেন। যুদ্ধবন্দীরা তাঁকে একজন এডিসিকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে দেখে অবাক হয়ে যান। যুদ্ধবন্দীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করার পাশাপাশি তিনি তাদের উৎসব পালন করতে দেন। তাদের পবিত্র কোরআনের কপিও দেওয়া হয়েছিল। রেডক্রসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অবাধ প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছিল এসব শিবিরে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধে নতুন একটি দেশের অভ্যুদয় হয়। এর প্রধান কারিগর ছিলেন স্যাম। তিনি নায়ক হয়ে যান।

ভি কে সিংয়ের লিডারশিপ ইন ইন্ডিয়ান আর্মি থেকে অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন

ভি কে সিং: ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর জেনারেল; একাধিক সামরিক গ্রন্থের লেখক