default-image

গর্বের একাত্তর

তৌহিদুর রহমান,

সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা

মুক্ত পাখির মতো উড়ে বেড়িয়ে চললে আসলেই বোঝা যায় না বদ্ধ ও পরাধীন থাকার কষ্ট কতটুকু। তাই আজ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে একটু পরখ করে দেখতে এলাম, আমরা নতুন প্রজন্ম কত কষ্টের বিনিময়ে এই মুক্ত আকাশ-বাতাস পেয়েছি।

কত সহজে আজ বলতে পারি, আমরা স্বাধীন। জাদুঘরে হাঁটতে হাঁটতে মনে হচ্ছিল, একমাত্র বাঙালিই পারে এ রকম সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের জয় ছিনিয়ে আনতে।

একমাত্র বাঙালিই পারে বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে মায়ের সম্মান রক্ষা করতে। একমাত্র বাঙালিই পারে জাতির পিতাকে অনুসরণ করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করতে।

আমরা নতুন প্রজন্মও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অগ্রসর হয়ে আমাদের দেশকে নিয়ে যাব উন্নতির শিখরে।

সালাম তোমাদের, যারা জীবন দিয়ে আমাদের জীবন দিয়েছ।

সালাম তোমাদের, যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করোনি।

তোমাদের গর্বে আমরা গর্বিত।

গর্বিত আমি বাঙালি হিসেবে।

বিজ্ঞাপন

রক্তে ভেজা স্বাধীনতা

মাহবুবা জান্নাত

জহির তাহির মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়

৮ম শ্রেণি, পাঠানপাড়া, সিলেট

আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার অনেক দিনের আগ্রহ ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানার। আজ অনেক কিছু জানতে পেরেছি। জানতে পেরেছি আমাদের দেশের মানুষের দুর্বিষহ জীবনকাহিনি। কী নিপীড়নের মধ্যে তারা তাদের জীবন কাটিয়েছিল। সাধারণ-অসাধারণ অনেক মানুষকেই কী নির্মমভাবে অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছিল। কৃষক, জেলে, শ্রমিক, সাংবাদিক, তাঁতি, কামার, কুমার ইত্যাদি পেশার মানুষ এবং যুবসমাজ-ছাত্রসমাজ—সবাই মিলে তাদের তাজা রক্ত দিয়েছিল। তাদের রক্তের কারণে আজ আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

যাঁরা মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহযোগিতা করেছিলেন, তাঁদের জন্যও অত্যন্ত গর্ব বোধ করছি। এ ইতিহাসের কথা জানানোর জন্য মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

মার্চের প্রেরণা

মুন্না

কুট্টপাড়া উচ্চবিদ্যালয়

৮ম শ্রেণি, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ভীষণ অত্যাচার করেছিল। এখন আমরা স্বাধীন। বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য আমাদের যুদ্ধ করতে হয়েছে। ২৫ মার্চের কালরাতে বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। মা-বোনদের ওপর নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে বাংলার মানুষ সে দিন অনুপ্রাণিত হয়েছিল। তা না হলে বাংলাদেশ কোনোভাবেই স্বাধীন হতে পারত না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে অসংখ্য মানুষের প্রাণ বিসর্জনের কথা আমি অনুভব করছি। শহীদদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা রইল।

সূত্রঃ ১ মার্চ ২০১৯, ১৭ ফাল্গুন ১৪২৫, শুক্রবার, প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন