বিজয় দিবস-১৬ ডিসেম্বর
গ্রাম
একেকদিন পুরো গ্রাম আলো হয়ে ছড়িয়ে পড়লে আমি মাটিতে কান পেতে রাখি, তার চরণধ্বনি শুনব বলে, রূপপসারিণী পাতারা জানে কীভাবে নকশা হয়, তারা ফাঁকফোকরের জাল বুনে আলোকে ধরে আর চেড়ে দিয়ে খেলা শুরু করে, আর এই শিক্ষা দেয়—এভাবেই আলো-ছায়া আলোছায়া, একেকদিন বুড়ো কুকুরেরা আরাঙের ধারে বসে ঝিমোতে ঝিমোতে প্রায় সবকটা লোম পথের উপরে ফেলে দিয়ে আড়মোড়া ভেঙে উঠে গেলে ভাললাগাগুলো শীত বা হেমন্ত হয়, হূদয়ের ক্ষেত ভরে সোনারাশি নাচিয়ে বেড়ায় অথবা কচুরপাতার পরে একবিন্দু পরশকাতরতা নিয়ে প্রেম প্রেম মন্ত্র জপে যায়, একেকদিন পাড়ার প্রথম থেকে সর্বশেষ ঘর অবধি টাঙানো ফিরালগুলো মেঘের সমীপে যদি পাঠায় কুর্ণিশ, আকাশও দুই ইঞ্চি নেমে আসে, দুষ্টু বালকের দল তাকে ছাতা করে আগামী রোদের রাস্তায় বর বর সেজে বর্বরের দেশ ছেড়ে অন্যগাঁয়ে হাঁটা শুরু করে।
Also Read
-
‘দুই হাতে চালান গুলি, ঘুমান এসএমজি নিয়ে’, রংমিস্ত্রির সহকারী যেভাবে সন্ত্রাসী হয়ে ওঠেন
-
জেলায় মন্ত্রীদের সমন্বয়ের দায়িত্ব, নাকি নতুন কর্তৃত্ব
-
বনে ছেড়ে দেওয়া ৯ লজ্জাবতী বানরের ৭টিই মারা গেল, কারণ কী
-
বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ সংরক্ষণ ও শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল
-
৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে অতিথিশালা, ১৪ বছরেও থাকেননি কোনো পর্যটক