কিলো ফ্লাইট-২৮ সেপ্টেম্বর
কিলো ফ্লাইটের বিমান
অ্যালুয়েট হেলিকপ্টারটি ছিল ফ্রান্সের তৈরি। ছোট আকৃতির এই হেলিকপ্টার ভারতীয় বিমানবাহিনীতে বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হতো। একটি ৩০৩ ব্রাউনিং মেশিনগান, ১৪টি রকেটসহ দুটি রকেট নিক্ষেপক সংযুক্ত করে হেলিকপ্টারটিকে যুদ্ধাজাহাজে পরিণত করা হয়। এটিকে খুব নিচু দিয়ে উড়তে হয়, তাই শত্রুর গুলি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এর পেট বরাবর পাটাতনে প্রায় এক ইঞ্চি পুরু লোহার পাত লাগানো হয়।
ডাকোটা বা ডিসি-৩ বিমানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। বিমানটি যোধপুরের মহারাজা বাংলাদেশকে উপহার দেন। এক হাজার পাউন্ড করে মোট পাঁচটি বোমা বহনযোগ্য করে এটাকে ‘বোম্বার’ বা বোমাবর্ষণকারী বিমানে রূপান্তর করা হয়। বোমাগুলো রাখার জন্য প্লেনের পেছনের দরজার কাছে একটি তাক স্থাপন করা হয়। তাক থেকে ধাক্কা দিয়ে বোমা ফেলার জন্য তৃতীয় একজন ক্রুর প্রয়োজন হতো।
অটার বিমানটি ছিল কানাডার তৈরি। ভারতীয় বিমানবাহিনীতে এটি পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো। অটারের গতি ছিল ঘণ্টায় ৮০ মাইল। উভয় ডানায় ৭টি করে ১৪টি অত্যাধুনিক রকেট লঞ্চার সংযুক্ত করে ক্ষুদ্রকায় বিমানটিকে যুদ্ধজাহাজে রূপান্তর করা হয়। পেছনের দরজা খুলে লাগানো হয় মেশিনগান। বিমানের মেঝের পাটাতন খুলে যুক্ত করা হয় ২৫ পাউন্ডের ১০টি বোমা। বোমাগুলো স্বয়ংক্রিয় ছিল না, হাত দিয়ে পিন খুলে নিক্ষেপ করতে হতো। এর জন্য তৃতীয় একজন ক্রুর প্রয়োজন হতো
Also Read
-
নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড
-
বিদেশ যেতে বাধা, বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল তা বললেন সেই তিন নারী
-
পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, পাঠাও বলেছে, কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে
-
খুঁজে পেতে ‘লাইভ লোকেশন’ পাঠিয়েছিল মেয়ে, বাবা গিয়ে দেখেন উদ্ধার হচ্ছে লাশ
-
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাব না: ট্রাম্প