স্বাধীনতা দিবস-২৬ মার্চ
ঘুমের কাছে কৃতজ্ঞতা
স্বপ্ন দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি, আজ আমি
নিঃশব্দে ঘুমাব,
আর আমি কিছুই দেখব না, কিছুই শুঁকব না
ঘুমের সুগন্ধে আমি মজে থাকব সহস্র বছর,
নক্ষত্রের ধুলো আর রাতের শিশিরবিন্দু গড়াবে শরীরে
তারও আগে সব সুখ-দুঃখ, ভীতি ও ভাবনা আমি
চেকপোস্টে জমা দিয়ে দেব।
এখন ঘুমাব আমি শীতের পাখির মতো হেমন্তের মাঠে
যে রকম ঘুমায় নির্জন নদী, অবসন্ন মেঘ সারা রাত
এইখানে শুয়ে,
সব সর্ঙ্শ, ছোঁয়া, আঙুল, আহ্বান থেকে দূরে
অবলীলাক্রমে শুধু পৌঁছে যাব অতলসর্ঙ্শী ঘুমে, অন্ধকারে
কিংবা আলোতে;
ভুলে যাব ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও জলপান, সব
উত্সর্গপত্রে শুধু লিখে যাব : ঘুমের কাছে কৃতজ্ঞতা।
সূত্র: ২৬ মার্চ ২০০৪ প্রথম আলোর "স্বাধীনতা দিবস" বিশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত
Also Read
-
জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর
-
ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণে থাকা ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার হলে প্রবেশের চেষ্টা ছাত্রশিবিরের
-
বুকে বিদ্ধ চাকু বের করতে স্ত্রীর কাছে আকুতি, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু
-
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কী আছে, কেন এই সময়ে স্বাক্ষর হলো
-
একবার জাল ফেলেই ধরা পড়ল ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা