বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা
মো. রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক
গ্রাম মধ্যভাটের চর, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।
বাবা আবদুল আলী দেওয়ান, মা ফরিদা খাতুন।
স্ত্রী ডালিয়া সুলতানা। তাঁদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
খেতাবের সনদ নম্বর ৩৩২।
মো. রফিকুল ইসলাম ১৯৭১ সালের ২৮ মে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মেলাঘরে যান। সেখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি ২ নম্বর সেক্টরে যোগ দেন। পরে মুন্সিগঞ্জ জেলায় থানা কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ আগস্ট মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় মধ্যভাটের চরে একটি সেতু ধ্বংসের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নিক্ষিপ্ত শেলের আঘাতে তিনি আহত হন। সহযোদ্ধারা তাঁকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে তিনি আবার মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
মো. রফিকুল ইসলাম মুন্সিগঞ্জ, টঙ্গিবাড়ী, গজারিয়া, কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি, হোমনা, দেবীদ্বার, পানতি, পাহাড়পুর, কোনাবন এবং ঢাকার মাতুয়াইলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের তাঁবেদার রাজাকারদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় গেরিলা কায়দায় খণ্ড খণ্ড যুদ্ধ করেন।
১৯৭১ সালে মো. রফিকুল ইসলামের বয়স ছিল ১৫। সে সময় তিনি মুন্সিগঞ্জ রামপাল হাইস্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
সূত্র: একাত্তরের বীরযোদ্ধা: খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, প্রথম খণ্ড, প্রথমা প্রকাশন, ঢাকা ২০১২
সম্পাদক: মতিউর রহমান, সংগ্রহ ও গ্রন্থনা: রাশেদুর রহমান
Also Read
-
ছোট-বড় সবার ‘স্যার’ মির্জা ফখরুল দিন-রাত প্রচারণায়
-
সে আমেরিকার দূতাবাসে আমাদেরকে জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করে: চরমোনাইর পীর
-
‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগের নেতারা
-
এমনও হতে পারে, বুকে একজনের প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে আরেকজনকে ভোট দিয়ে আসবে
-
সমস্যা অনেক, সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধানও সম্ভব