বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা
মোজাফ্ফর আহম্মদ, বীর প্রতীক
গ্রাম সোনাপুর, ইউনিয়ন কাজীরবাগ, সদর, ফেনী।
বাবা সেখ আহম্মদ ভূঞা, মা জায়রা খাতুন।
স্ত্রী আমেনা খাতুন। তাঁদের চার ছেলে ও দুই মেয়ে।
খেতাবের সনদ নম্বর ১৬৯।
মোজাফ্ফর আহম্মদ ১৯৭১ সালে চুয়াডাঙ্গার ইপিআর উইংয়ে কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি তাঁর অধীনে কর্মরত ইপিআর জওয়ানদের নিয়ে বিদ্রোহ করে যুদ্ধে যোগ দেন। প্রথমে তিনি নিজের উদ্যোগে ও চেষ্টায় মোজাফ্ফর বাহিনী গঠন করেন এবং সেই বাহিনীর কমান্ডার নিযুক্ত হন। পরে উইং কমান্ডার মেজর এম আবু ওসমান চৌধুরীর (পরে লে. কর্নেল) নির্দেশে ৩০-৩১ মার্চ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যুদ্ধ করেন।
১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ইপিআর আয়োজিত কুচকাওয়াজে তিনি অংশ নেন। সেখানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তাঁদের সালাম গ্রহণ করেন। আগস্ট থেকে বিজয় লাভ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা, বৈদ্যনাথতলা (মুজিবনগর), প্রাগপুর, কাজীপুর, ঝিকরগাছা, নাভারন, বিশখালী, বেনাপোলসহ আরও কয়েকটি স্থানে তিনি যুদ্ধ করেন।
দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকে পারিবারিক অভাব-অনটন মোকাবিলায় তিনি নানা রকম ব্যবসা করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি ইপিআরে যোগ দেন।
মোজাফ্ফর আহম্মদ ১৯৮৫ সালে অনারারি ক্যাপ্টেন হিসেবে বিডিআরের চাকরি থেকে অবসর নেন।
সূত্র: একাত্তরের বীরযোদ্ধা: খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, প্রথম খণ্ড, প্রথমা প্রকাশন, ঢাকা ২০১২
সম্পাদক: মতিউর রহমান, সংগ্রহ ও গ্রন্থনা: রাশেদুর রহমান
Also Read
-
এ মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা ‘বেদনা, ক্ষোভ, উদ্বেগ ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ’
-
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে
-
হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু, চারজনই ঢাকায়
-
পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার রায়ে সন্তুষ্ট আসামিপক্ষ–রাষ্ট্রপক্ষ উভয়েই
-
ভারতে মোদি সরকারের পতনের শঙ্কা তৈরি করছে ভাইরাল ‘তেলাপোকা পার্টি’